বার্বাডোজ টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ১৮ উইকেট নিয়ে রাজত্ব করলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বোলাররা। ক্যারিবীয় বোলাররা ইংল্যান্ডের ৮ ব্যাটসম্যানকে এবং ইংলিশ বোলাররা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১০ ব্যাটসম্যানকে শিকার করে দ্বিতীয় দিনেই জমিয়ে তুলেছে তৃতীয় ও শেষ টেস্ট। তারপরও ৫ উইকেট হাতে নিয়ে ১০৭ রানে এগিয়ে ইংল্যান্ড।

টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম দিন শেষে ৭ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনে খুব বেশিক্ষণ উইকেটে টিকতে পারেনি সফরকারী ব্যাটসম্যানরা। বাকি ৩ উইকেটে মাত্র ১৭ রান যোগ করতে সমর্থ হয় তারা।

প্রথম ইনিংসে দলকে ২৫৭ রানের সংগ্রহ এনে দিতে মুখ্য ভূমিকা রাখেন ইংলিশ দলপতি অ্যালিস্টার কুক। টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৬তম সেঞ্চুরি তুলে ১০৫ রানে আউট হন তিনি। এছাড়া মঈন আলী ৫৮ ও জো রুট ৩৩ রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ৩৬ রানে ৩ উইকেট নেন পেসার জেরম টেইলর।

এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তখনো বুঝা যাচ্ছিলো না যে দিনটি হবে ‘বোলারদের’। শেষ পর্যন্ত হয়েছেও তাই।

১৮৯ রানেই ক্যারিবীয়দের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে দেয় ইংলিশ বোলাররা। ডান-হাতি ব্যাটসম্যান জার্মেই ব্ল্যাকউডের কল্যাণে মুখ রক্ষা হয় স্বাগতিকদের। ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হবার আগে ৮৮ বলে ৮৫ রানের দারুন এক ইনিংস খেলেন ব্ল্যাকউড।

এই ইনিংসে ইংল্যান্ডের পক্ষে ৪২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন পেসার জেমস এন্ডারসন। এই নিয়ে ১৭তম বারের মত পাঁচ বা ততোধিক উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখালেন এন্ডারসন।

ইংল্যান্ড বোলারদের বোলিং তান্ডব দেখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলাররা ভেবেই নেন, দ্বিতীয় দিনের পীচ বোলিং উপযোগী। তাই এই সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগান তারা। তাতেই দ্বিতীয় ইনিংসে মহাবিপদে পড়ে ইংলিশরা। প্রথম ইনিংস থেকে পাওয়া ৬৮ রানের লিডের সাথে দিন শেষে ৫ উইকেটে ৩৯ রান তুলতে পেরেছে সফরকারীরা। ফলে এখন ১০৭ রানে এগিয়ে ইংল্যান্ড। এই ইনিংসে একমাত্র গ্যারি ব্যালেন্সই ডাবল ফিগারে পৌঁছে ১২ রানে অপরাজিত আছেন। ২ উইকেট নিয়ে এই ইনিংসেও শিকারের তালিকায় শীর্ষে টেইলর।

সংক্ষিপ্ত স্কোর : (দ্বিতীয় দিন শেষে)

ইংল্যান্ড : ২৫৭/১০ ও ৩৯/৫, ২১ ওভার (ব্যালেন্স ১২*, ট্রট ৯, টেইলর ২/১৬)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ১৮৯/১০, ৪৯.৪ ওভার (ব্ল্যাকউড ৮৫, চন্দরপল ২৫, এন্ডারসন ৬/৪২)।

জেডআই