ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের প্রধান কোচ হাতুরেসিংহে বলেছিলেন, তার দল ‘ড্র’করার লক্ষ্যে মাঠে নামবে। কিন্তু প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে ইনিংস পরাজয় এড়ানোর লক্ষ্যে প্রাণপণ লড়ছে টাইগাররা।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫৬ রান। বাংলাদেশের এখনো ৪৬ রান প্রয়োজন স্বাগতিকদের আবার ব্যাটিংয়ে নামাতে। পঞ্চম দিনে হয়ত বাকি ৫ উইকেটে ৪৬ রান করতে পারবে তারা। কিন্তু বৃষ্টির মতো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসলে এ ম্যাচটি যে ড্র হচ্ছে না তা যে কেউ চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারবে।
তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ ১৮২ রানে অলআউট হওয়ার পর সেদিনের খেলা শেষ হয়ে যায়। ফলো-অনে পড়া বাংলাদেশ চতুর্থ দিন দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই হারায় শামসুর রহমানকে। কেমার রোচের বলে উইকেটরক্ষক দিনেশ রামদিনের গ্লাভসবন্দি হন তিনি।
দ্বিতীয় উইকেটে ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৭০ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন তামিম ইকবাল। ক্রিস গেইলের বলে কার্ক এডওয়ার্ডসের হাতে ধরা পড়ে ইমরুলের বিদায়ের পর খেলার চিত্রটা পাল্টে যায়। এরপর ৩৬ রানের মধ্যে তামিম ও মুমিনুল হকের বিদায়ে অস্বস্তিতে পড়ে বাংলাদেশ। অর্ধশতক পাওয়া তামিম সুলেমান বেনের বলে বোল্ড হয়ে যান।
ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মতো আউট হওয়ার পর রিভিউ নেন মুমিনুল। প্রথম ইনিংসের মতো এবারো আউট সম্পর্কে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া না গেলেও আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলায়নি। পঞ্চম উইকেটে মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে ১৩০ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন মুশফিক। প্রথম ইনিংসে অপরাজিত থাকা বাংলাদেশের অধিনায়ক ব্যাট করছেন ৭০ রানে। তার সঙ্গী নাসির হোসেন অপরাজিত রয়েছেন ৭ রানে।
ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশ তাকিয়ে থাকবে মুশফিক ও নাসিরের দিকে। এই দুজনের পেছনে বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান কেবল এই টেস্টেই অভিষিক্ত অলরাউন্ডার শুভাগত হোম চৌধুরী। ৬৬ রান করে ফেরার আগে বাংলাদেশকে লড়াইয়ের পথ দেখান মাহমুদুল্লাহ। তার এবং মুশফিকের দৃঢ়তায় দিনের দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। দেশটির টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট হারায়নি তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন বেন ও রোচ।
ঢাকা, ০৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ





