ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৪৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে অজিদের কাছে ৮৬ রানে হেরে গেল কিউইরা।
নিউজিল্যান্ড ৪৩.৪ বলে ১০ উইকেট হারিয়ে করেছে ১৫৭ রান।
এর আগে লন্ডনের লর্ডসে শনিবার (২৯ জুন) টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪৩ রান সংগ্রহ করেছিল অ্যারন ফিঞ্চের দল। খেলতে নেমে অজি বোলারদের সামনে বিনা লড়াইয়ে আত্মসমর্পণ করেছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা। আগেই সেমিতে পা রাখায় অজিদের জন্য এই ম্যাচটি হয়ে পড়ে নিয়ম রক্ষার।
আর এই জয়ে ৮ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। সমান ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে নিউজিল্যান্ড। এদিকে, এদিন বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের প্রথম কোনো ক্রিকেটার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন ট্রেন্ট বোল্ট।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা দলীয় ৪২ রানে ওপেনার মার্টিন গাপটিল (২০) এবং হেনরি নিকলসকে (৮) হারানোর পর ব্ল্যাক ক্যাপস অধিনায়ক রস টেইলরকে নিয়ে করেন ৫৫ রানের জুটি। কিন্তু মিচেল স্টার্কের গতির সামনে উইলিয়ামসন ফেরেন ৪০ রানে। এর পরপরই টেইলরকে (৩০) আউট করেন প্যাট কামিন্স।
আর টম লাথাম ১২ রান করে সাজঘরে ফিরেন। কলিন ডি গ্রান্ডহোমকে ডাক উপহার দিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম উইকেট উদযাপন করেন স্টিভেন স্মিথ। অলরাউন্ডার জিমি নিশামও (৯) পারেননি লড়াই করতে। ইশ সোধি (৫) ও লকি ফার্গুসনকে (০) পরপর দুই বলে আউট করেন স্টার্ক। কিউইদের শেষ উইকেট মিচেল স্যান্টনারকেও (১২) আউট করেন তিনি।
ট্রেন্ট বোল্ট অপরাজিত ছিলেন ২ রানে। আর এতে করে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৪৪ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ড ৪৩.৪ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে করেছে ১৫৭ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ৪৯.৫ ওভারে ২৪৩/৯ (ওয়ার্নার ১৬, ফিঞ্চ ৮, খাওয়াজা ৮৮, স্মিথ ৫, স্টয়নিস ৫, ম্যাক্সওয়েল ১, ক্যারি ৭১, কামিন্স ২৩*, স্টার্ক ০, বেহরেনডর্ফ ০, লাওন ০*; বোল্ট ৪/৫১, গ্রান্ডহোম ০/২৯, ফার্গুসন ২/৪৯, শোধি ০/৩৫, নিশাম ২/২৮, স্যান্টনার ০/২৩, উইলিয়ামসন ১/২৫)।
নিউজিল্যান্ড একাদশ: ৪৩.৪ ওভারে ১৫৭ (গাপটিল ২০, নিকোলস ৮, উইলিয়ামসন ৪০, টেইলর ৩০, লাথাম ১৪, গ্রান্ডহোম ০, নিশাম ৯, স্যান্টনার ১২, শোধি ৫, ফার্গুসন ০, বোল্ট ২*; বেহরেনডর্ফ ২/৩১, স্টার্ক ৫/২৬, কামিন্স ১/১৪, লাওন ১/৩৬, স্মিথ ১/৬, ফিঞ্চ ০/৭, স্টয়নিস ০/১২, ম্যাক্সওয়েল ০/১৮)।
ফলফল: অস্ট্রেলিয়া ৮৬ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: অ্যালেক্স ক্যারি (অস্ট্রেলিয়া)।
এমবি





