লুইস সুয়ারেজ করলেন চার গোল, হ্যাটট্রিকের আনন্দে ভাসলেন লিওনেল মেসও । নেইমার কোন গোল পাননি, কিন্তু পুরো ম্যাচ জুড়েই প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভীতি ছড়িয়েছেন।

আর ‘এমএসএন’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠা এই আক্রমণত্রয়ী একসঙ্গে জ্বলে উঠলে প্রতিপক্ষের যা হওয়ার তাই হয়েছে, ৭-০ গোলে উড়ে গেছে ভ্যালেন্সিয়া।

ফলে, সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ভ্যালেন্সিয়াকে গোলবন্যায় ডুবিয়ে ফাইনাল প্রায় নিশ্চিতই করে ফেলেছে । নেইমার পেনাল্টি থেকে গোল করার সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। না হলে আরো বড় ব্যবধানের জয় পেতে পারত ইউরোপের অন্যতম সেরা এই ক্লাব।

হাঁটুর চোটের কারণে মেসি সেমিফাইনালের প্রথম লেগে খেলবেন কি না, তা নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিল। তবে সব সন্দেহ-সংশয় উড়িয়ে দিয়ে মাঠে নেমেছিলেন এই আর্জেন্টাইন তারকা।

শুধু মাঠে নামাই নয়, দারুণ এক হ্যাটট্রিক করে নিশ্চিত করেছেন দলের বড় জয়। সেই সঙ্গে দারুণভাবে জ্বলে উঠেছিলেন উরুগুয়ের স্ট্রাইকার সুয়ারেজ। দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে করেছেন এক হালি গোল।

নিজেদের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে ৭ ও ১২ মিনিটে দুটি গোল করে সূচনাটা দারুণভাবে করেছিলেন সুয়ারেজ। ২৯ মিনিটে মেসি করেন নিজের প্রথম গোল।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে মেসিকে বাজেভাবে ট্যাকল করার দায়ে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছেড়েছিলেন ভ্যালেন্সিয়ার ডিফেন্ডার সোরডান মুস্তাফি। তবে পেনাল্টি থেকে গোল করার সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ভ্যালেন্সিয়াকে খেলতে হয়েছে ১০ জনের দল নিয়ে। আর এ সুযোগে প্রতিপক্ষের ওপর আরো চড়াও হয়েছিলেন মেসি-নেইমার-সুয়ারেজরা।

৫৮ ও ৭৪ মিনিটে দুটি গোল করে মেসিই আগে পূর্ণ করেছিলেন হ্যাটট্রিক। সুয়ারেজের গোলক্ষুধা তখনো মেটেনি। ৮৩ ও ৮৮ মিনিটে আরো দুবার প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছেন এই উরুগুয়ের স্ট্রাইকার।

১০ ফেব্রুয়ারি সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভ্যালেন্সিয়া ও বার্সেলোনা।

এমই