পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। রোববার করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের তৃতীয় আসরের ফাইনালে পেশোয়ার জালমিকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে তারা। এদিন প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৮ রান তোলে পেশোয়ার। জবাবে ১৬.৫ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নেয় ইসলামাবাদ। ম্যাচ সেরা ও সিরিজ সেরা হয়েছেন লুকি রনচি।
এদিন টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পেশোয়ার। ৩৮ রানের মধ্যেই কামরান আকমল (১), মোহাম্মদ হাফিজ (৮) ও আন্দ্রে ফ্লেচারকে (২১) হারিয়ে বসে তারা। ক্রিস জর্ডান ও লেইম দাসনের কল্যাণে কিছুটা লড়াইয়ের পুঁজি গড়তে পারে পেশোয়ার। জর্ডান ২৬ বলে ৩৬ ও দাসন ৩০ বলে ৩৩ রান করেছেন। এছাড়া ওহাব রিয়াজ ১৪ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। ইসলামাবাদের হয়ে শাদাব খান ২৫ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। আর ২টি করে উইকেট নিয়েছেন সামিত পাতিল ও হুসাইন তালাত।
জবাবে ইসলামাবাদের দুই ওপেনার রনচি ও সাহেবজাদা ফারহান দলকে ৯৬ রান এনে দেন। অবশ্য ২৬ বলে ব্যক্তিগত ৫২ রানে রনচি আউট হয়ে গেলে কিছুটা বিপদে পড়ে যায় ইসলামাবাদ। মাত্র ২০ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। তবে ফারহানের ৩৩ বলে ৪৪ ও আসিফ আলির ৬ বলে অপরাজিত ২৬ রানের সুবাদে ৩ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় ইসলামাবাদ। পেশোয়ারের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন হাসান আলি, রিয়াজ ও জর্ডান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
পেশোয়ার জালমি : ১৪৮/৯ (২০ ওভার) (ফ্লেচার ২১, জর্ডান ৩৬, দাসন ৩৩, রিয়াজ ২৮*; পাতিল ২/২৬, শাদাব ৩/২৫, তালাত ২/১৮)।
ইসলামাবাদ ইউনাইটেড : ১৫৪/৭ (১৬.৫ ওভার) (রনচি ৫২, ফারহান ৪৪, আসিফ ২৬*; হাসান ২/৫৩, রিয়াজ ২/২৮, জর্ডান ২/২২)।
ফলাফল : ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ৩ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : লুকি রনচি।
ম্যান অব দ্য সিরিজ : লুকি রনচি।





