এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত অন্যরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিমা খানম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আবুল মনছুর সিকদার, পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদ হোছাইন সিকদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিলকিস আরা মিতু, ক্রীড়া সম্পাদক মো. সরোয়ার হোসাইন লাভলু এবং তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. লোকমান শাহ।
নির্বাচন কমিশন জানায়, এসব পদে অন্য কোনো প্রার্থী না থাকায় তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। সম্পাদকীয় ১০ পদের মধ্যে নয়জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সহ-সভাপতি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আইনজীবী ঐক্য ফোরামের নিলুফার ইয়াসমিন লাভলী এক হাজার ৭৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতপন্থি ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদের মো. নেজাম উদ্দিন পেয়েছেন ২৪০ ভোট।
নির্বাহী সদস্য পদে আইনজীবী ঐক্য ফোরাম ও ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদের মোট ২২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ঐক্য ফোরামের ১১ জন বিজয়ী হন। তারা হলেন- আলী আকবর, দিদারুল আলম, দিলদার আহমেদ ভুইয়া, মো. ইকবাল হোসেন, মো. জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ হাসান, মোকতার উদ্দিন, মোমেনুল হক, সাদিয়া খান, সাইফুল ইসলাম ও শেখ মো. ফয়সাল উদ্দিন।
জামায়াত সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ ৬ মে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়। পরে ১৭ মে নির্বাচন কমিশনার, তফসিল ও নির্বাচন বাতিলের দাবিতে আদালতে মামলা করে সংগঠনটি।
নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আদালতে আবেদনও করা হয়। তবে গত বুধবার শুনানি শেষে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এর আগে একই দাবিতে সংগঠনটি একটি তলবি সভার আয়োজন করে। ওই সভায় প্রস্তাবের পক্ষে ১৭১ এবং বিপক্ষে ২৮৯ ভোট পড়ে।
নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা রৌশন আরা বেগম বলেন, বিএনপি পূর্ণ প্যানেলে অর্থাৎ ২১টি পদের সবকয়টিতে বিজয়ী হয়েছে।
তিনি জানান, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। একটি সহ-সভাপতি ও ১১টি সদস্য পদে ভোট হয়েছে। সমিতির মোট ভোটার ছিলেন ৪ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ১৬০ সদস্য।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা একতরফা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে আদালত এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন।
অন্যদিকে জামায়াতপন্থি আইনজীবীরাও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
এমএম