আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিংয়ে ৬টি টিম
পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে দক্ষিণবঙ্গগামী যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে বিশেষ প্রশাসন। পুরো মহাসড়ক ও সেতু এলাকা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখতে ৬টি বিশেষ টিম কাজ করছে। এর মধ্যে ৪টি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং সার্বক্ষণিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ২টি মোবাইল টিম মহাসড়কে টহল দিচ্ছে।
টোল প্লাজায় বিশেষ ব্যবস্থা: মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেন
পদ্মা সেতুতে ঈদযাত্রীদের পারাপার দ্রুত ও নির্বিঘ্ন রাখতে মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ৮টি বুথ থেকে বিরতিহীনভাবে নিরবচ্ছিন্ন টোল আদায় করা হচ্ছে। ফলে টোল দেওয়ার জন্য কোনো যানবাহনকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না।
এছাড়া ঈদযাত্রায় মোটরসাইকেলের অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। মূল লেনের জটলা এড়াতে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা দুটি অতিরিক্ত লেন সংযুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বাইকাররা কোনো রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দ্রুত সেতু পার হতে পারছেন।
যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি
বিগত বছরগুলোর ঈদযাত্রার তুলনায় এবার ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং পদ্মা সেতুর ব্যবস্থাপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। দূরপাল্লার বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকরা জানান, অন্যান্যবার টোল প্লাজা কিংবা এক্সপ্রেসওয়ের প্রবেশমুখে যে দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা যেত, এবার সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার কারণে তা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং ঢাকামুখী মানুষের কর্মস্থলে ফেরার সময়টাতেও এই কড়া নজরদারি ও সেবা চালু থাকবে। যেকোনো মূল্যে যাত্রীদের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
এমএম