সাংবাদিক লাঞ্ছিত, আইনজীবী ও নারীদের প্রতি অশালিন মন্তব্য করায় এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট শাহ আলম বাদী হয়ে সদর থানার উপ-পরিদর্শক হেকমত আলীর বিরুদ্ধে মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম শিমুল বিশ্বাস বিষয়টি বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরনে জানা গেছে, গত ৪ জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানার গোলঘরে উপ-পরিদর্শক হেকমত আলীর উপস্থিতিতিতে এক শালিস বৈঠক চলছিলো। বৈঠকে বাদী পক্ষে ছিলেন, দৈনিক নওয়াপাড়ার খবর পত্রিকার সদর উপজেলা প্রতিনিধি সেলিম হোসেন ও বিবাদী পক্ষে ছিলেন ইয়াছিন আলী।
শালিসে বিবাদী পক্ষে সহায়তার জন্য উপস্থিত ছিলেন এ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও এ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান।
বৈঠক চলাকালে আকস্মিক উত্তেজিত হয়ে উপ-পরিদর্শক হেকমত আলী বাদীকে চড় থাপ্পড় মারে। খারাপ ভাষায় তিনি বলেন, তোদের পক্ষে যারা এসেছে তাদেরকে এখনই থানা লকআপে পুরে দেব। এর পর এক সিপাহীকে ডাক দেন। যদি তোদের জেলে পাঠিয়ে আমাকে সাতক্ষীরা ছাড়তে হয় তাও ছাড়ব। সাংবাদিক ও উকিল শায়েস্ত করে দেব।’ এ সময় উপস্থিত দু’জন সাংবাদিকসহ কয়েকজন তাকে (হেকমত) থামাতে গেলে তিনি আরো উত্তেজিত হন।
বিষয়টি গত ৫ জুলাই সবিস্তর দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার ৪ নং পাতার ৬ এর কলামে ছাপা হয়।
উপ-পরিদর্শক হেকমত আলী ইচ্ছাকৃতভাবে অশালীন মস্তব্য করে আইনজীবীদের সম্মান হানি করেছেন মনে করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। দায়ের করা এ মামলাটি জেষ্ঠ বিচারিক হাকিম এরশাদ আলীকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আদেশ দেয়া হয়েছে। মামলায় দৈনিক পত্রদূত ও কালের কষ্ঠ পত্রিকাসহ জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকারী কমিটির সকল সদস্যকে স্বাক্ষী করা হয়েছে।
ঢাকা, ১৪ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ





