শনিবার (২০ জুন) ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, বগুড়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই মামলায় পত্রিকাটির প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার, বগুড়া প্রতিবেদক মো. শামস এবং বগুড়া জেলা প্রতিনিধি সাব্বির হাসানের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।
ডিআরইউ নেতারা বলেন, সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনের বিষয়ে আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তির জন্য দেশে প্রচলিত আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, মানহানির অভিযোগে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে যার মানহানি হয়েছে কেবল তিনিই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। অন্য কেউ তার পক্ষে মামলা করতে পারেন না। এছাড়া কোনো অভিযোগের যথাযথ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই ছাড়াই একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা উদ্বেগজনক।
ডিআরইউ নেতারা বলেন, সংবাদ প্রকাশের মতো বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা করা প্রয়োজন। মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হয়।
বিবৃতিতে অবিলম্বে সাংবাদিক মো. রেজানুর ইসলামের মুক্তি এবং এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপদ, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এমএম