সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলামের আদালতে এ মামলা করেন সোহেল নামের এক ব্যক্তি। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন।

এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক সংসদ শামীম ওসমান ও সাবের হোসেন চৌধুরী, সাবেক ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশিদ।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে খিলগাঁও থানাধীন শহীদ বাকি সড়ক খিলগাঁও আবাসিক এলাকা পল্লীমা স্কুলের সামনে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যুক্ত হন সোহেল। এদিন মিছিল করার সময় পল্লীমা হতে খিলগাঁও থানার দিকে যাওয়ার পথে তালতলা মার্কেটের সামনে থেকে সরকার দলীয় সমর্থকসহ পুলিশ ছাত্র-জনতার দিকে ইট পাটকেল, টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট, ছররা গুলিসহ সাউন্ড গ্রেনেড চার্জ করে। এসময় পুলিশের ছররা গুলি ডান হাতে এবং কপালের লাগে সোহেলের।

প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। তিনি দেশ থেকে পালিয়ে ভারত গিয়ে আশ্রয় নেন।

এমএইচ