উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুমনকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ছয়জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। নিহতদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত নয়জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন। তাঁরা হলেন ঢাকার বনশ্রীর বাসিন্দা ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ।

নিহত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৯)। ফায়ার সার্ভিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত আরও দুজনের নাম জিহাদ হাওলাদার ও আকিবুল ইসলাম। তবে তাঁদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে আগুন লাগার কারণ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।

এস