মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিয়ানীবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এসআরবি-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতার আসামির নাম মুজাহিদ (১৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বুড্ডা গ্রামের বাসিন্দা।

এসআরবি-৯ জানায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পেজ থেকে যোগাযোগ নম্বর সংগ্রহ করে রাকিব নামে এক ব্যক্তি নৃত্যশিল্পীদের একটি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি ১০ সেপ্টেম্বর নিজের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশনের জন্য দলটির সঙ্গে ৯ হাজার টাকা সম্মানিতে চুক্তি করেন।

চুক্তি অনুযায়ী ১০ সেপ্টেম্বর ভিকটিম, তার এক নারী সহযোগী ও সাইদ হোসেন কুমিল্লা থেকে সরাইলের উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তারা সরাইলের কুট্টাপাড়া বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছালে রাকিব তাদের একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে শাহবাজপুর ব্রিজের নিচে নিয়ে যান।

পরে নদীপথে বাড়িতে পৌঁছানোর কথা বলে তাদের একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তোলা হয়। নৌকাটি তিতাস নদীর মাঝামাঝি পৌঁছালে রাকিব ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন। এ সময় তার দুই সহযোগী নৌকার ছাউনির ভেতরে ঢুকে ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীকে ধর্ষণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে নৌকায় থাকা অন্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগী ও তার সহযোগীদের নাসিরনগর থানার গোকর্ণ এলাকার নদীর পাড়ে নামিয়ে দিয়ে অভিযুক্তরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সরাইল থানায় মামলা করেন। মামলার পর আসামিদের গ্রেফতারে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এর ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদে এসআরবি-৯ সদর কোম্পানি, সিলেট ও এসআরবি-৯-এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যৌথ দল বিয়ানীবাজারে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মুজাহিদকে গ্রেফতার করে।

এসআরবি-৯-এর দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুজাহিদ ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এমএম