রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কছিম উদ্দিনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তাঁর আপন ভাই আব্দুল মালেক। হত্যাকাণ্ডকে ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনা হিসেবে দেখানোর পরিকল্পনা করা হয়। ঘটনার দিন গভীর রাতে ভাড়া করা দুই সহযোগীকে নিয়ে কছিম উদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে তাঁর ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যান তাঁরা।

পুলিশ আরও জানায়, ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে কাকুলি নামে এক নারী কছিম উদ্দিনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসতে সহযোগিতা করেন।

দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা মামলাটির রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় রায়গঞ্জ থানার একটি বিশেষ দল তদন্ত শুরু করে। গত তিন মাস ধরে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানো হয়। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পাওয়া জুতার বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় টানা দুই রাত অভিযান চালিয়ে নিমগাছি এলাকা থেকে আব্দুল মালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাকুলিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, আব্দুল মালেক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এস