স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে জকিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের রারাই গ্রামে প্রথমে ডাইক ভেঙে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে। এরপর সোমবার ভোরে বাখরশাল এবং সকাল ৮টার দিকে খলাছড়া ইউনিয়নের লোহারমহল এলাকায় আরও একটি ডাইক ভেঙে যায়। এতে প্রবল স্রোতে পানি ঢুকতে থাকে।

এছাড়াও জকিগঞ্জ পৌরশহরসহ বিভিন্ন এলাকা দিয়ে নদী উপচে পানি ঢুকছে। এতে অনেকের বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে গতকাল রোববার দিনভর বিভিন্ন স্থানে ডাইকে ফাঁটল দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েকটি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা বালু ও মাটি ভর্তি বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকেও কয়েকটি স্থানে পলিথিন দিয়ে বাঁধ ঢেকে রাখার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তবুও শেষ রক্ষা হয়নি।

সিলেটে কুশিয়ারা নদীর বাঁধ ভেঙে প্রবল স্রোতে ঢুকছে পানি

জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বন্যা কবলিত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে কাজ চলছে। এরইমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশল দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, সুরমা-কুশিয়ারা বেশ কয়েকটি স্থানে গতকাল ফাঁটল দেখা দেয়। আজ ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়েছি। আমাদের লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। যেখানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে, সেগুলো যাতে না ভাঙে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এমএম