শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জগন্নাথ দিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলেন, জামায়াত নেতা রবিউল হোসেন রকি, জাকারিয়া রাসেল, কাজী রাসেল, রিফাত সানি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী। তাৎক্ষণিক বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে দুপুরে চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখেন ডা. শফিকুর রহমান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা বাড়ি ফিরছিলেন। পথে জগন্নাথ দিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রাম এলাকায় পৌঁছলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা উসকানিমূলক কথা বলতে থাকেন। বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন বলেন, আমিরে জামায়াতের সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপির মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা হামালা চালায়। এ ঘটনায় আমাদের অন্তত পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মিজান খান ও মোবারক চৌধুরীকে আকাধিকবার ফোন করা হলেও তাদের নম্বরটি বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চৌদ্দগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন। বর্তমানে পরিস্থতি শান্ত রয়েছে।
এস