শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) উপজেলার বগা ইউনিয়নের বামনিকাঠি গ্রামে ইউসুফ হাওলাদারের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব আশ্বাস দেন সংসদ সদস্য।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে থাকলে সমাজের একটি পরিবারও অবহেলিত থাকবে না।”
তিনি বলেন, বাউফলের জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি মানুষকে সমানভাবে বিবেচনা করা এবং সবার প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো তাঁর দায়িত্ব। নিজের দায়িত্ববোধ থেকে তিনি মানুষের সেবা করে যেতে চান।
বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে রাষ্ট্রের সব নাগরিকের সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বামনিকাঠি গ্রামের ইউসুফ হাওলাদার (৭০) ও তাঁর স্ত্রী ফুলচান (৬০) দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। তাঁদের বড় ছেলে নুরুল ইসলাম (৩৭) ও বড় মেয়ে রাসেদা (৩২) মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন। ছোট ছেলে সবুজ (১৮) বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত।
পরিবারের একাধিক সদস্য অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা, খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সাত সন্তানের মধ্যে মেজো ছেলে জব্বার (২৬) ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সীমিত আয়ে নিজের পরিবারের পাশাপাশি অসুস্থ স্বজনদের সহায়তা করার চেষ্টা করলেও সবার প্রয়োজন মেটানো তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি পরিবারটিকে দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এস
















