পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে রিনিকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত ইউসুফ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট এলাকার বাসিন্দা উজ্জ্বল ইসলামের সৎ ছেলে। গত সোমবার থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটি। তিন দিন পর বুধবার দুপুরে উপজেলার বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে ইউসুফের বাবা পলাশ ও মা রিনির বিবাহবিচ্ছেদ হয়। পরে রিনি বাসচালক উজ্জ্বল ইসলামকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ইউসুফকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সোনাতলার বালুয়া বাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
গত সোমবার ইউসুফ নিখোঁজ হওয়ার পর স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। শিশুটির সন্ধান না পেয়ে সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন উজ্জ্বল। এর পরদিন বুধবার ধানক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাতলা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে ইউসুফ হত্যায় তার মা রিনি খাতুনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। গ্রেপ্তারের পর তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা জানান।
তবে কী কারণে এবং কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে, তা তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এস
















