নিহত ব্যক্তিরা হলেন- রোজিনা (৩০), তাঁর স্বামী শরিফ (৩৪), রোজিনার ভাই রিয়াজ (২২) ও রনি (১৯)।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার।

চিকিৎসক জানান, আগুনে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ, তার স্বামী শরিফের ৪০ শতাংশ, রিয়াজের ৪০ শতাংশ এবং রনির শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

গত শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আগুনে দগ্ধ হওয়ার পর চারজনকে উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। তাদের শরীরের বড় অংশ পুড়ে যাওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাদের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে কীভাবে গ্যাস লিকেজ হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

গুরুতর দগ্ধ চারজনকে বাঁচাতে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি। একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এমএম