জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মো. বদরুল আমিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বও পালন করেন।
ভোট গ্রহণ-পরবর্তী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি। চাঁদাবাজি, লুটপাট, টেন্ডারবাজি এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে সাংবাদিক হত্যার মতো ঘটনা দেশের জন্য উদ্বেগজনক। প্রতিদিন গুম, খুন ও নির্যাতনের ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে, ফ্যাসিবাদ নতুন রূপে ফিরে আসছে।
বক্তারা নেত্রকোণার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান জামান ফকির হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, কোনো অপশক্তি নির্বাচন বানচাল, কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের অপচেষ্টা চালালে নেত্রকোণার সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
তাঁরা আরও বলেন, বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইল জামায়াতে ইসলামীর প্রতিটি কর্মীর কাছে আমানত। এ দেশের ১৮ কোটি মানুষও তাঁদের কাছে আমানত। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ হলে নতুন করে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হতে পারে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের চেতনাকে মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে। জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলতে দেওয়া হবে না বলেও তাঁরা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সম্মেলনে ভোট গ্রহণের আগে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিভঙ্গি-সংবলিত একটি চিঠি পাঠ করে শোনানো হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে দারস পেশ করা হয়।
এ সময় জেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, জেলা শুরা ও কর্মপরিষদের সদস্য, জেলা মহিলা বিভাগের নেতৃবৃন্দ এবং নেত্রকোণার ১০টি উপজেলার আমির ও সেক্রেটারিসহ প্রায় ৮০০ রুকন উপস্থিত ছিলেন।
এমএম
















