বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৪-এর বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। জরিমানা অনাদায়ে মন্টুকে আরও তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রেজাউল করিম ও মুক্তার আলী নামে অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোজাফফর হোসেন মন্টু লালপুর উপজেলার পুরাতন ঈশ্বরদী এলাকার মুনসাদ আলীর ছেলে। খালাস পাওয়া রেজাউল করিম একই এলাকার মৃত শামসের প্রামাণিকের ছেলে এবং মুক্তার আলী মৃত মোকছেদ আলী প্রামাণিকের ছেলে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সকালে পুরাতন ঈশ্বরদী মাঠে নিজের জমিতে কলাগাছ রোপণ করতে যান সোহেল রানা ও তার ভাই সোহাগ। এ সময় রেজাউল করিম, মোজাফফর হোসেন ও মুক্তার আলী লাঠি ও লোহার রড নিয়ে সেখানে গিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান।

হামলায় মোজাফফরের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন সোহেল। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহত সোহেলের বাবা মুকুল হোসেন ৯ ফেব্রুয়ারি লালপুর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে বুধবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

নাটোর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন তালুকদার টগর বলেন, আদালতের রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে জরিমানার ৫ লাখ টাকার মধ্যে ১ লাখ টাকা মামলা পরিচালনার খরচ হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাকি ৪ লাখ টাকা মামলার বাদীকে দেওয়ার জন্যও রায়ে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এস