স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের পাঁচগড়গড়িয়া গ্রামে অনুমোদনহীনভাবে কারখানাগুলো গড়ে তোলা হয়েছে। ওই গ্রামের শাহিন মিয়া, মেহেরুল ইসলাম ও ফেলু মিয়াসহ কয়েকজন মিলে স্থানীয় দালাল দ্বারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে গ্রামের ফসলি মাঠের মাঝখানে মাটির চুল্লি কারখানায় প্রকাশ্যে গাছ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চুল্লির ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে ওই এলাকা। শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন আশপাশের বাসিন্দারা। ফসলি জমি ও গাছপালাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এতে করে মারাত্মকভাবে পরিবেশদূষণ হলেও তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে পারে না। অভিযোগ রয়েছে, চুল্লি থেকে নির্গত ঘন কালো ধোঁয়ার বিষয়ে কথা বললেই সাধারণ মানুষকে হুমকি দেন তারা।

গড়গড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মমিন মিয়া বলেন, ‘এসব কয়লা কারখানার ধোঁয়ার যন্ত্রণায় গ্রামে চলাফেরা করাই মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। অসহায় হয়ে পড়েছি আমরা।’

এ ব্যাপারে কথা হলে স্থানীয় কামালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুর ইসলাম বলেন, ‘এসব অবৈধ কয়লার কারখানার কথা শুনেছি। ভালোভাবে জেনে প্রশাসনকে অবহিত করা হবে।’

সাঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার দত্ত জানান, কয়েকবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করে সব কারখানা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আবার তৈরি করা হয়ে থাকলে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এমএম