শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে হেফাজতে থাকা ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে থাকা ব্যক্তি নির্দোষও হতে পারেন, আবার ঘটনার সঙ্গে জড়িতও থাকতে পারেন। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় অপ্রতিম। বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর সে আর বাসায় ফেরেনি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সালমানপুর এলাকার দক্ষিণ মোড়ের লালমাই পাহাড়ের পাদদেশ থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার সঙ্গে থাকা মায়ের আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতিম হত্যার পেছনে শুধু আইফোন নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল কি না, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে—সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর বিভিন্ন সড়কে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা গেছে বলে সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত করা হয়েছে। বিষয়টিও তদন্তের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অপ্রতিম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে তার পরিবার শোকে ভেঙে পড়েছে।

এস