শুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকেই এই যানজটের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে সেতুর দুই লেনই বন্ধ রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ।
ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপের মধ্যেই যমুনা সেতুর ওপর কয়েকটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বর থেকে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
মহাসড়কে আটকে থাকা যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকায় অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সামিউল ইসলাম শুভ নামের এক যাত্রী বলেন, খুব খারাপ অবস্থা। ৬ ঘণ্টায় কেবল সিরাজগঞ্জ থেকে চন্দ্রা এলাকায় এসেছি।
সার্বিক বিষয়ে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যমুনা সেতুর পশ্চিম প্লাজায় টোল দেওয়ার পরপরই তিনটি গাড়ি বিকল হয়ে গেছে। আমরা রেকার দিয়ে সরানোর চেষ্টা করছি। এখন সেতুর দুই লেনেই যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে। আসলে কোনো যানবাহন বিকল হলেই পেছনে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হয়। আজকে চাপও বেশি।
এনএইচ