সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তিনি আদালতের জামিনপত্র দেখানোয় তাকে আমরা ছেড়ে দিই।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এই মামলায় আগে থেকেই জামিনে ছিলেন খন্দকার মুক্তাদির। এটি বলার পরও তাকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে আদালতের জামিনপত্র দেখানোর পরও পুলিশ নথি তলব করে। পরবর্তীতে আইনজীবী ও আরও কয়েকজনের জিম্মায় রিকল জমাপূর্বক তাকে ছেড়ে দেন।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সিলেট বিমানবন্দর এলাকা থেকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার সুদীপ দাস ঢাকা পোস্টকে জানান, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় ২০১৮ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় খন্দকার মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এমআই