আহত অবস্থায় ওসিকে আগারগাঁওয়ের নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুন) দুপুরে সংবাদ মাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ মো. কামরুজ্জামান।

তিনি বলেন, গত শুক্রবার (১০ জুন) বিকেলে ঢাকা উদ্যান এলাকায় মুসল্লিরা বিক্ষোভ করার জন্য জড়ো হন। এ সময় ওসি আবুল কালাম আজাদ ঘটনাস্থলে গিয়ে বলেন আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ করেন।

এ কথা বলে চলে আসার পথে পেছন থেকে কয়েকজন যুবক ওসির ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত ও নির্দেশদাতা মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারদের নাম-পরিচয় জানতে চাইলে কামরুজ্জামান বলেন, গ্রেফতার ১০ জনের মধ্যে একটি মসজিদের খতিব রয়েছেন।

খতিবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে হামলার ঘটনায় কার ইন্ধন রয়েছে এবং কারা জড়িত। গ্রেফতারদের রিমান্ডের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হবে।

হামলায় আহত ওসির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, হামলার ঘটনার পর ওসি স্যারকে আগারগাঁওয়ের নিউরো সায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন চিকিৎসকরা। তার চোখে এখনো সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

শুক্রবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুসল্লিরা বিক্ষোভ করার সময় মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ হামলার শিকার হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেত্রী নূপুর শর্মা মহানবী হজরত মুহাম্মদকে (সা.) অবমাননা করেছেন- এমন অভিযোগে ঢাকা উদ্যান কেন্দ্রীয় মসজিদের মুসল্লিরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

এ সময় মোহাম্মদপুর থানার ওসি মুসল্লিদের পাঁচ মিনিট সময় বেঁধে দেন। পাঁচ মিনিট শেষ হওয়া যাওয়ার পর ওসি মুসল্লিদের বিক্ষোভে বাধা দেন আর এতেই হামলার শিকার হন ওসি আবুল কালাম আজাদ।

এইচএন