দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নিজামী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপি এসে পৌঁছেছে। এখন হাইকোর্ট আইন অনুযায়ী এই মামলার রায়কে নিশ্চিত করার জন্য অনুমোদন দিবেন।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জজ আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে ডেথ রেফারেন্সের হাইকোর্ট রায় পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শাখা।
ছোট একটি ট্রাঙ্কে লাল রঙয়ের মোড়কে চারটি ও নীল রঙয়ের একটি মোড়কে মোড়ানো মৃত্যুদণ্ডের রায়সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার ডেথ রেফারেন্স মামলার নম্বর ৭/২০১৪ বলেও জানান হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখার কর্তৃপক্ষ।
গত ৩০ জানুয়ারি দশ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলার রায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সাবেক শিল্প মন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৪ জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন চট্টগ্রাম জজ আদালত ও বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মুজিবুর রহমান।
অস্ত্র আটকের সঙ্গে চোরাচালান মামলায় তাদের মৃত্যুদণ্ড ও অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে অস্ত্র মামলার অপর একটি ধারায় পৃথকভাবে সাত বছরের দণ্ডাদেশ দেন আদালত।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী (৮২), বিএনপি নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর (৫৩), এনএসআইয়ের সাবেক দুই প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী (৬০) ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম (৬১), সাবেক পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার সাহাবুদ্দিন আহমেদ (৫৩), সাবেক উপ-পরিচালক মেজর (অব.) লিয়াকত হোসেন (৪৩), সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন (৪৭), সিইউএফএলের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন উদ্দিন তালুকদার (৬২) এবং সংস্থাটির সাবেক জিএম (প্রশাসন) একেএম এনামুল হক (৬১), চোরাচালানি হাফিজুর রহমান হাফিজ (৪৮), অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ (৪৫), মাছধরা নৌকার মালিক হাজী আবদুস সোবহান (৬০), সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব নূরুল আমিন ও উলফা সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া।
এদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া ও নূরুল আমিন পলাতক রয়েছেন।
রায়ে খালাস পেয়েছেন তারা হলেন, সানোয়ার হোসেন চৌধুরী (৫০), দিলদার হোসেন চৌধুরী (৪৭), মরিয়ম বেগম ওরফে বদনি মেম্বার (৪৩), জসীম উদ্দিন ওরফে জসীম (৩৫), আব্দুল আজিজ (৪৯), মো. আকতার (৪৬), মো.জাহাঙ্গীর (৪৩), নূরুল আবছার ওরফে আবছার মেম্বার (৪৫), আরজু মিয়া প্রকাশ পাগলা (৫৮), এজাহার মিয়া (৫৫), মুজিবুর রহমান বুলু (৫৭), শেখ মোহাম্মদ (৪৭), ফজল আহাম্মদ চৌধুরী (৪৩), আকবর আলী (৪৬), বাদশাহ মিয়া (২৪), ওসমান মিস্ত্রি (৩৬), আব্দুল মান্নান (৩২), কবির আহাম্মদ (৩৪), মো.রফিক (৩০), মনির আহাম্মদ (৩২), আব্দুল মালেক (৩৫), মঞ্জুরুল আলম (২৮), সালেহ জহুর প্রকাশ গুরা মিয়া (৩০), ফিরোজ আহম্মদ (৩২), সাইফুদ্দিন (৫০) এবং কামাল মিয়া (৩৮) এবং পলাতক আসামি প্রদীপ কুমার দাশ প্রকাশ ব্রজগোপাল (৩৮), নূরনবী (৩৬), সিরাজুল ইসলাম (৩৩), হেলাল উদ্দিন (৩০), বাবুল মিয়া (৩৪), আব্দুর রহিম মাঝি (৩৫), আব্দুস সবুর (৩২), মো.শাহআলম (৩৪), মো. সোবহান (৩৩) ও শাহজাহান (৩৮)।
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় যে আসামি মারা গেছেন তারা হলেন, ইয়াকুব আলী, মুনির আহমেদ, আতাউর রহমান ও আবুল কাশেম মধু।
ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ৬ (টাইমনিউজবিডি.কম( // জিই//এসএইচ
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায়ের নথি হাইকোর্টে
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা নিজামী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৪ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপি এসে পৌঁছেছে। এখন হাইকোর্ট আইন অনুযায়ী এই মামলার রায়কে নিশ্চিত করার জন্য অনুমোদন দিবেন।
দেনমোহর না দিলে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারবেন আদালত: হাইকোর্ট
স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে তা আদায়ের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য করা হলে, পারিবারিক আদালত তার বিবেচনাধিকার প্রয়োগ করে স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী।
হাইকোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচির মধ্যে রাজধানীতে হাইকোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
ভুয়া পরোয়ানায় হয়রানি রোধে ডেটাবেজ যাচাইয়ের নির্দেশ হাইকোর্টের
ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি ঠেকাতে পরোয়ানা কার্যকর করার আগে পুলিশের কেন্দ্রীয় ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তা যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট নিষিদ্ধ: হাইকোর্ট
আদালতের কোনো রায় বা আদেশের প্রতিবাদে হরতাল, ধর্মঘট কিংবা কর্মবিরতি আহ্বান করা অবৈধ ও সংবিধানবিরোধী বলে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মসূচি ডাকা হলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের বিরুদ্ধে আইনগত ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
















