রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চাষাঢ়ার আংগুরা ভিলার নিচতলায় ‘সুলতান ভাই কাচ্চি রেস্টুরেন্টে’ এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার কাজল মিয়া (৫০), কর্মচারী ইউনুস, আউয়াল ও জনি। এর মধ্যে কাজলের অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত নারীর নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে, আংগুরা ভিলার মালিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহার তালুকদার। তিনি ও তার ভাই আজিজুল হকের কাছ থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে শুক্কর আলী নামে এক ব্যবসায়ী ‘সুলতান ভাই কাচ্চি রেস্টুরেন্ট’ দিয়েছেন। রাতে আজহার তালুকদার রেস্টুরেন্টে এসে শুক্কর আলীর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। শুক্কর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

এসময় রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার কাজল মিয়া এগিয়ে এসে আজহারকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাসা থেকে শটগান এনে কাজলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন আজহার।

এসময় আশপাশে থাকা অন্যরা তাকে থামাতে এলে তাদেরকে লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়েন আজহার তালুকদার। এতে এক নারীসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন।

রেস্টুরেন্টের মালিক শুক্কর আলী জানান, ‘কয়েকদিন ধরে তারা (আজহার ও তার ভাই) আমার কাছে টাকা দাবি করে আসছিলেন। আজও রাতে রেস্টুরেন্টে এসে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে আমার দোকানের ম্যানেজার কাজল এসে আমাকে সরিয়ে দিয়ে আজহারকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।

এ নিয়ে তার সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে বাসা থেকে শটগান নিয়ে এসে আজহার তালুকদার রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার কাজলকে গুলি করেন। তার ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা বলেন, ‘আজহার তালুকদার ও তার ভাই আজিজুল হক সুলতান ভাই কাচ্চির মালিক শুক্কর আলীর কাছে দোকান ভাড়া দিয়েছেন। সেই সূত্র ধরে আজাহার দাবি করে আসছিলেন যে, পানি বেশি খরচ করায় বিদ্যুৎ বিল বেশি আসছে। বিলের টাকা দিতে হবে।

এ নিয়ে দোকানের কর্মচারীদের সঙ্গে তার তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে আজাহার উত্তেজিত হয়ে বাসায় থাকা তার লাইসেন্স করা শটগান নিয়ে এসে গুলি ছোড়েন।’

এন