আদালতে ভালো ভূমিকা না রাখায় ১৩ আইনজীবীকে প্রসিকিউশন টিম থেকে বাদ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ১৩ জনের মধ্যে কয়েক জন সিনিয়র আইনজীবীও রয়েছেন। তবে  শিগগিরই কিছু সাহসি এবং সুশিক্ষিত তরুণ ও ডেডিকেটিভ আইনজীবী নিয়োগ দিতে যাচ্ছে দুদক।
বৃহস্পতিবার বাদ পড়া ওই ১৩ আইনজীবীর হাতে দুদকের চিঠি পৌঁছেছে। গত ২২ মে কমিশন সভায় তাদেরকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানা যায়।
বাদ পড়া সিনিয়র আইনজীবীদের মধ্যে রয়েছেন, ড. রফিকুর রহমান, ড. শাহদীন মালিক, ড. কে. আলী।
এছাড়া বাদ পড়া  জুনিয়র আইনজীবীদের  মধ্যে রয়েছেন, অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী, আমির হোসেন, জহিরুল ইসলাম মুকুল, শেখ হাবিবুল আলম, ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম, এ.এস.এম. খলিলুর রহমান, মোখলেসুর রহমান, ব্যারিস্টার মাসউদ আহমদ সাঈদ, অ্যাডভোকেট তাজ মোহাম্মদ এবং শহিদুল ইসলাম খান লিটন।
ওই আইনজীবীরা  দীর্ঘদিন ধরেই দুদকের পক্ষে কাজ না করার বিষয়টি জানিয়ে আসছিলেন।কিন্তু জুনিয়র ওই আইনজীবীরা আদালতে দুদকের পক্ষে জোরালো কোনো ভূমিকা রাখছে না। 'শুধু দুদকের প্যানেল আইনজীবী' এই পরিচয় দিয়ে বেড়াতেন এমন অভিযোগও উঠেছে।
দুদক সূত্র জানায়, উচ্চ আদালতে দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন ৫৪ আইনজীবী। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী কমিশন তাদের নিয়োগ দেয়। নিয়োগ প্রাপ্তদের মধ্য থেকে শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন পক্ষ ত্যাগ করলেও নামকাওয়াস্তে দুদকের পক্ষেই থেকে যান সিনিয়র বেশ কয়েকজন আইনজীবী। আর ওই সিনিয়র আইনজীবীদের মধ্য থেকে এই কয়েকজনকে দুদক বাদ দিলেন।
এদিকে দুদক চেয়ারম্যান মোঃ বদিউজ্জামান বলেন, দুদকের পক্ষে কাজ করার মতো ভালো আইনজীবী  পাওয়া যাচ্ছে না। এটা একটা বড় সমস্যা। আসামিপক্ষ অর্থের জোরে বড় আইনজীবী  নিয়োগ দেন। কিন্তু দুদকের পক্ষে বড় আইনজীবীরা থাকেন না। এরপরও দুদকের আইনী লড়াইয়ে সক্ষমতা বাড়াতেই অলস কয়েকজন আইনজীবীকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং শিগগিরই আরও বেশ কয়েকজন ভালো আইনজীবীকে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে।
[b]ঢাকা, একে, ২৯ মে, (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]