বুধবার দিনশেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২০ কোটি ডলার। এই রিজার্ভ বাড়ার পেছনে আছে মূলত কম খরচ, রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধি বজায়, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতে বিদেশ থেকে আসা প্রচুর ঋণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের এই রিজার্ভ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেশি থাকলে অন্য দেশের সঙ্গে লেনদেন সহজ হয়। অন্য দেশের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ করতেও স্বচ্ছন্দবোধ করেন।
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। কিন্তু গত সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মাধ্যমে আমদানি ব্যয়ের অর্থ পরিশোধের কারণে রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে।
ঢাকা, ৮ অক্টোবর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর





