বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের রিজিওনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপ লি হররো শুক্রবার বাংলাদেশ সফরে আসছেন। ৬ দিনের এ সফরে তিনি সরকারের উচ্চপর্যায়ে বৈঠক করার পাশাপাশি কিছু প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিন ঘুরে দেখবেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, ঢাকা পৌঁছানোর পর ২৯ মার্চ তিনি যাবেন পর্যটন নগরী কক্সবাজারে। সেখান থেকে ৩০ মার্চ চট্টগ্রাম সফর করবেন। এ সময় তিনি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত কয়েকটি প্রকল্প পরিদর্শন করবেন। ৩১ মার্চ বরিশাল সফরে যাবেন এ কর্মকর্তা। সেখানে নতুন জীবন নামে একটি চলমান প্রকল্প পরিদর্শন করবেন। এটির বাস্তবায়নের অবস্থা ঘুরে দেখবেন বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করা হচ্ছে।
এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইউহানেন্স জাট, ভাইস প্রেসিডেন্টের অ্যাসিসট্যান্ট কইচি ওমরি, ইআরডির অতিরিক্ত সচিব আরাস্তু খান, সিনিয়র এনার্জি স্পেশালিস্ট জোবায়ের কেএম সিদ্দিক ও মোহাম্মদ আনিস, বিশ্বব্যাংকের সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট সোয়েব আলী এবং অপারেশন এনালিস্ট সুজাতা তালুকদার।
এরপর ১ এপ্রিল সকালে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে বেঠক করবেন তিনি। এছাড়া ২ অথবা ৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। সফর শেষে ৩ এপ্রিল তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।
সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের কাছে কয়েকটি খাতে আরও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। এর আগে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্বব্যাংকে কর্মরত দক্ষিণ এশীয় নির্বাহী পরিচালক এমএন প্রসাদের সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বেঠকে যে ৭টি খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল সেগুলোর মধ্যে প্রধান ছিল অগ্রাধিকার ভৌত অবকাঠামে খাত। ভৌত অবকাঠামো খাতের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, রেলওয়ে এবং পানি, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ এবং ট্রান্সপোর্ট।
এছাড়া দারিদ্র্য নিরসন, তথ্য প্রযুক্তি (আইসিটি) ও কমিউনিকেশন টেকনোলজি, কৃষি ও গ্রাম উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা চাওয়া হয়েছিল। ফিলিপ লি হররোর সফরকালিন বৈঠকেও এ সব বিষয়কেই গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
[b]ঢাকা, ২৫ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসছেন শুক্রবার
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের রিজিওনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ফিলিপ লি হররো শুক্রবার বাংলাদেশ সফরে আসছেন। ৬ দিনের এ সফরে তিনি
যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং খাদ্যশস্য পরিবহনে বাধার কারণে ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য গড়ে ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির আশঙ্কা, যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়লে এবং রাশিয়ার তেল অবকাঠামোয় হামলা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক : অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব কাঠামো চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে চুক্তির বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী চাপে থাকলেও সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়া মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার পাশাপাশি নতুন করে মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে।
দেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে: বিশ্বব্যাংক
একাধিক খাদ্য ভর্তুকি একত্রিত করে বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির আরো কার্যকর লক্ষ্য নির্ধারণের সঙ্গে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ যুক্ত করা গেলে দেশের অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করা সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সীমিত সরকারি সম্পদের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোকে আরো সুনির্দিষ্টভাবে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে।
নতুন ঋণচুক্তি সই, বিশ্বব্যাংক থেকে ৩০ কোটি ডলার পাবে বাংলাদেশ
দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন একটি ঋণচুক্তি সই করেছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। চুক্তি অনুযায়ী, রোপণ মৌসুমে কৃষকদের জন্য সার সহজলভ্য করতে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেবে সংস্থাটি। বর্তমান বাজারদরে এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
















