তোবা গার্মেন্টসের মালিককে আইন অনুযায়ী শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করেই তবে কারখানা বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

বুধবার সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত গ্রেগ উইলকক-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তোবা গার্মেন্টসের মালিক আর্থিক সঙ্কটে রয়েছেন। তিনি ব্যবসা করবেন কি করবেন না -সেটা তার বিষয়। তবে কোনো কারখানা যদি লে-অফ বা বন্ধ করতে হয় তাহলে সেটা প্রচলিত আইনেই করতে হবে। অন্যথায় কোনো কারখানা বন্ধ করা যাবে না। আর আইন মেনে কোনো ব্যবসায়ী যদি মনে করেন যে, তিনি ব্যবসায় থাকবেন না, তাহলে তাকে তো জোর করে ব্যবসায় রাখা যাবে না।’

তিনি বলেন, তোবা গার্মেন্টস নিয়ে এ পর্যন্ত যত ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো আমরা সামাল দিয়েছি। কিন্তু শ্রমিকদের ব্যবহার করে যারা এসব ঘটিয়েছেন তারা সঠিক কাজ করেননি। ষড়যন্ত্র করে পোশাক শিল্পকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। যদি পোশাক শিল্প বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে শ্রমিকও থাকবে না, শ্রমিক নেতাও থাকবে না।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, শ্রমিক নেত্রী মোশরেফা মিশু জার্মান টিভিতে সাক্ষাৎকারে যেসব কথা বলেছেন, এতে করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

বিএনপি সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির মধ্যে এখন এক ধরনের হাহাকার চলছে। নির্বাচনে না যাওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। এখন তাদেরকে বত্তৃতা শিল্প নিয়েই থাকতে হবে। দেশের মানুষ এখন আন্দোলন চায় না। আন্দোলন করতে হলে তাদেরকেই করতে হবে, আর এতে তাদেরই ক্ষতি হবে।’

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত বেরিয়ে যাওয়ার পর বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘসময় বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিজিএমইএ সভাপতি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সকল গার্মেন্টসের দায়িত্ব নেওয়া কিংবা সমস্যার সমাধান করা বিজিএমইএ’র পক্ষে সম্ভব নয়। সমস্যা সমাধানে মালিকদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে।

তোবা গার্মেন্টস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও বীমা কোম্পানিগুলো সহযোগিতা করছে না।’

ঢাকা, ২০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর