কলমানি মার্কেটে সুদের হার বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ৬ মার্চ লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ব্যাংক টু ব্যাংক ৭.২৫ শতাংশ ও ব্যাংক থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৮ শতাংশ।
জানা যায়, চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার ছিল ব্যাংক টু ব্যাংক ৬.৫০ শতাংশ ও ব্যাংক থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৭.৫০ শতাংশ। ২০ ফেব্রুয়ারি লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ব্যাংক টু ব্যাংক ৭.২৫ শতাংশ ও ব্যাংক থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৮.২৫ শতাংশ। ১৩ ফেব্রুয়ারি লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ব্যাংক টু ব্যাংক ৬.৭৫ শতাংশ ও ব্যাংক থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৭.৭৫ শতাংশ। ৩০ জানুয়ারিতে ছিল ব্যাংক টু ব্যাংক ছিল ৬.৭৫ শতাংশ ও ব্যাংক থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর আগের দিন ২৯ জানুয়ারি ছিল ব্যাংক টু ব্যাংক ৬.৭৫ শতাংশ ও ব্যাংক থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৮ শতাংশ। ১৯ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ ছিল যথাক্রমে- ৭ এবং ৮ শতাংশ। ২১ নভেম্বর সর্বোচ্চ সুদ হার ছিল যথাক্রমে- ৭ এবং ৮ শতাংশ। ১২ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ সুদহার ছিল অভিন্ন। অন্যদিকে ২৮ নভেম্বর সর্বোচ্চ সুদহার ছিল যথাক্রমে- ৬.৭৫ এবং ৭.৭৫ শতাংশ। কিন্তু বুধবার লেনদেনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদহার ছিল ব্যাংক টু ব্যাংক ৭ শতাংশ ও ব্যাংক থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৮ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
৬ মার্চ কলমানি মার্কেট থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংক ৪৬ কোটি টাকা ধার করেছে। বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংকগুলো ধার করেছে ৪২৫ কোটি টাকা। সর্বোচ্চ ধার নিয়েছে ব্যাংক এশিয়া ২৮৫ কোটি টাকা এবং ইস্টার্ন ব্যাংক ১৪০ কোটি টাকা। অন্যদিকে কলমানি মার্কেটে মোট ২ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা ধার দেয়া হয়। এর মধ্যে সর্বাধিক ধার দিয়েছে রূপালী ব্যাংক ১ হাজার ৬৯ কোটি টাকা এবং ট্রাস্ট ব্যাংক ৫৮০ কোটি টাকা। এছাড়া এইচএসবিসি ৩০০ কোটি, বেসিস ২৫০ কোটি, সিটি ব্যাংক-এনএ ১৬০ কোটি, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ১২০ কোটি ও অগ্রণী ১০০ কোটি ধার দিয়েছে।
এ সময়ে রাষ্ট্রীয়, বেসরকারি ও বিদেশী কোনো ব্যাংক ধার করেনি। তবে এসব প্রতিষ্ঠান ধার দিয়েছে ৫৬০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সর্বাধিক ধার দিয়েছে যথাক্রমে- ডিবিবিএল ১৯৪ কোটি, রূপালী ব্যাংক ১৬০ কোটি, সিটি ব্যাংক-এনএ ৯৫ কোটি, বেসিস ৯১ কোটি এবং অগ্রণী ২০ কোটি টাকা।
[b]ঢাকা, ৮ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]