সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়নের পরিসংখ্যানে এসব তথ্য জানানো হয়।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। ফল প্রকাশের পর তাদের মধ্যে ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেন। অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ২২ শতাংশ ফল পুনরায় যাচাইয়ের আবেদন করেছিলেন।
একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করতে পারায় যাচাইয়ের আওতায় আসা উত্তরপত্রের সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি। এর মধ্যে তত্ত্বীয় বিষয়ের উত্তরপত্র ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক বিষয়ের ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি।
এসব উত্তরপত্র যাচাই শেষে ৫৬ হাজার ২৫৯ শিক্ষার্থীর নম্বরে পরিবর্তন পাওয়া যায়। এর প্রভাবে গ্রেডও পরিবর্তিত হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের।
পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়নের পর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে অনুত্তীর্ণ ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ফলে। মূল ফলাফলে ফেল করা ৪ হাজার ৫৮৫ শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে পাস করেছেন।
এ ছাড়া নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী। ফলে পুনঃনিরীক্ষার পর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মোট সংখ্যা বেড়েছে।
এর আগে গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। সে সময় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
মূল ফলে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী। পরে পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশের পর নতুন করে ৩ হাজার ৭৯ জন জিপিএ-৫ পাওয়ায় মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৫ জনে।
পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়নের ফল গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার ফল পরিবর্তনের পরিসংখ্যান প্রকাশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ফলাফলে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, তার সামগ্রিক চিত্রও পাওয়া গেল।
এস











