গ্রীষ্মকাল মানেই মুখরোচক ফলের অবারিত সমাহার। শিক্ষার্থীদেরকে প্রায় পনেরো দিন আগে ফল উৎসবের কথা জানানো হয়। ক্লাসে, অনলাইন গ্রুপে এবং ফেইসবুক পেইজে চালানো হয় প্রচারণা। শিক্ষার্থীদের হৈহুল্লোড় এবং আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। প্রথমে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করা হয়। কেজি শ্রেণির ছাত্র লাবিবের বাবা নাঈম হোসেন, জান্নাতুল হক লামিয়ার আম্মু মরিয়ম আক্তার, আরশী তাসনিম রোজার আব্বু বিশিষ্ট্য সাংবাদিক মাইদুর রহমান রুবেল তাদের নিজেদের শিক্ষা জীবনের স্মৃতিচারণ করে অনুভূতি প্রকাশ করেন।
বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্কুল পরিচালনা পরিষদের সদস্য, সাংবাদিক সামছুল আরেফীন ও বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক, শিক্ষাবিদ মো: আক্তার হোসেন। বক্তব্য রাখেন উপাধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর আব্দুল হালিম। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, তৈয়বুর রহমান, ইয়াকুব আলী, শিক্ষিকা জামিলা খাতুন, নাসরিন সুলতানা, শাহীন সুলতানা, মারজান ফাতেমা, মাহফুজা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, আমিনা খাতুন প্রমূখ।
সভাপতির বক্তব্যে রমনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এইচ এম জোবায়ের বলেন, ষড়ঋতুর বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালের রয়েছে ভিন্ন আবেদন। গ্রীষ্মের একটি মাস জ্যৈষ্ঠ। এ মাসকে মধু মাস বলা হয়। মূলত এ ঋতুতে সারা দেশে বাহারি ও রসালো ফলের অবারিত সমাহার লক্ষ্য করা যায়।
গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে উঠা ছেলে-মেয়েরা নানারকম ফলমূলের সাথে প্রাকৃতিকভাবেই পরিচিত হয়। কিন্তু শহুরে জীবনে সে সুযোগ কম থাকে। শহরের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাথে দেশীয় ফলমূলের পরিচয় করিয়ে দিতেই আজকের আয়োজন। রঙিন ফলের বর্ণিল উৎসবের মধ্য দিয়ে রমনা মডেল স্কুল মধুমাস উদযাপন করলো।
ফল উৎসবে বিদ্যালয়ের তেরোটি শ্রেণির আঠারোটি শাখা পৃথকভাবে অংশগ্রহণ করে। ১৮টি স্টলে আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, জামরুল, কলা, তালশাঁস, আনারস, লটকন, ড্রাগন, পেঁপের মতো মৌসুমি ফলসহ দেশি-বিদেশি ২০ রকমের ফলের প্রদর্শনী করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।





