জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে সংহতি সমাবেশ করেছে আন্দোলনকারীরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দুইদিন আন্দোলনে বিরতি দেয়ার পর মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন রেজিস্ট্রারের সামনে এ সংহতি সমাবেশ করা হয়। সমাবেশে দেশের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।
এসময় বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান আন্দোলননে সংহতি জানিয়ে বলেন,‘ভিসি ফারজানা ইসলাম ২৪ ঘন্টার মধ্যে পদত্যাগ করুন, সরকারকেও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। সারাদেশে এ দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে তার পৃষ্টপোষকরাও পালাতে সময় পাবে না। অনতিবিলম্বে এ দুর্নীতিবাজ ভিসিকে অপসারণ না করলে মানুষ সারাদেশে আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে বাধ্য হবে।’
সংহতি সমাবেশে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন,‘জাবিতে বিদ্যমান পরিস্থিতির জন্য প্রথমে দায়ী ভিসি,দ্বিতীয়ত দায় সরকারের। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যায়ের দুর্নীতির বিষয়ে সঠিক সমাধাণের চিন্তা না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আন্দোলন আরো উৎসাহিত হয়েছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর এখানে জায়গা নেই। তিনি রাষ্ট্রপতি, ইউজিসির মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করতে পারতেন।’
এছাড়াও আনু মুহাম্মদ বলেন,‘জাবির বিষয়ে দুইটি তদন্ত কমিটি করতে হবে। একটি ভিসির দুর্নীতির বিষয়ে অন্যটি গত ৫ তারিখ ছাত্র শিক্ষকদের ওপর বর্বোরচিত হামলার বিষয়ে। তবে তদন্তের আগে মন্ত্রণালয় ও সরকারের বিরূপ মন্তব্যের পর তদন্ত নিয়েও আমরা শঙ্কিত।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন,‘মাননীয় ভিসি আপনি পদত্যাগ করুন, ভিসি পদ ছাডুন, অধ্যাপক পদে ফিরে আসুন। অধ্যাপক অনেক সম্মানিত পদবী। আমরা দেখেছি জাবির দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ‘আন্দোলকারীদেরকে দুর্নীতির প্রমাণ দিতে হবে’, যদি দুর্নীতির প্রমাণ আন্দোলনকারীদেকই দিতে হয় তাহলে সরকারের কাজ কি?
এএইচ





