রোববার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৬২ শিশু এবং ১৫০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
মৃতদের মধ্যে চারজনই ঢাকা-র বাসিন্দা। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ছয় শিশুর পাঁচজন ঢাকা বিভাগে এবং একজন খুলনা বিভাগে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ২৬৮ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫৮০ জন ঢাকা বিভাগ-এ। একই সময়ে ৭৬২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫৭ জনই ঢাকা বিভাগের।
হাম শনাক্তের ক্ষেত্রেও ঢাকা বিভাগ এগিয়ে রয়েছে—এখানে ১২৩ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া রাজশাহী বিভাগ-এ ২১ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগ ও সিলেট বিভাগ-এ সবচেয়ে কম, একজন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে।
তবে কিছুটা স্বস্তির খবরও রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩৪ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩১২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১২০ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ২৯ দিনে হামে ২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৫১ শিশু।
এই সময়ে মোট ১৫ হাজার ৬৫৩ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ১০ হাজার ২২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং ২ হাজার ৬৩৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৬৫৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার রোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি।
এস