এটি আমে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা রক্তে সুগার বাড়ালেও এতে উপস্থিত ফাইবার (আঁশ) ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এমনকি ইনসুলিন সংবেদনশীলতাও বাড়াতে পারে।
খাওয়ার সঠিক সময়
ভরা পেটে বা ভারি খাবারের পর মিষ্টি আম খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়ে আম খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
অন্যান্য খাবার
আম খাওয়ার সময় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া রোধ করতে এর সঙ্গে কিছু বাদাম (যেমন— কাঠবাদাম), শসা বা স্প্রাউট খেতে পারেন।
জুস পরিহার করুন
পাকা আমের জুস, পুডিং বা ডেজার্ট বানিয়ে না খেয়ে বরং সরাসরি ফল হিসেবে টুকরো করে খাওয়া বেশি উপকারী।
শর্করা সমন্বয়
যেদিন আম খাওয়া হবে, সেদিন সকালের নাশতা বা দুপুরের খাবারে ভাত বা রুটির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দেওয়া উচিত।