এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার মিয়ানমার নৌবাহিনীর একটি জাহাজে করে এসব নাগরিক থানলিন নৌঘাঁটিতে পৌঁছান। পরে তাদের অভিবাসন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বৌদ্ধ মঠের হলঘরে নেওয়া হয়।
দীর্ঘদিন আটককেন্দ্রে থাকার পর দেশে ফেরা এসব মানুষের সামনে এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। ফেরত আসা কয়েকজন আটক অবস্থায় নানা ধরনের দুর্ভোগের কথা জানিয়েছেন। তাদের অনেকেই দেশে ফিরে তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।
জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নেই। যদিও মালয়েশিয়া বলছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরেছেন।
তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, আটক ব্যক্তিদের সামনে কার্যত অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে এমন তরুণও রয়েছেন, যাদের মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীতে জোরপূর্বক নিয়োগের ঝুঁকি রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ঘোষিত ৫ হাজার মিয়ানমারের নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে এবারের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। তবে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো রোহিঙ্গা রয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কুয়ালালামপুরের পক্ষ থেকে পরিষ্কার কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
এদিকে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, মিয়ানমারে চলমান সংঘাত ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরিস্থিতিতে মানুষকে জোরপূর্বক এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ফেরত পাঠানো নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।
এস











