রোববার তেহরানে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু।

আরাগচি বলেন, এই সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই। একইভাবে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের পথেও এর সমাধান পাওয়া যাবে না।

তার মতে, আলোচনা, ন্যায়বিচার ও কূটনৈতিক মর্যাদাবোধের ভিত্তিতে নেওয়া পদক্ষেপই বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারে। এর মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া যুদ্ধ ও ‘বেআইনি আগ্রাসন’ বন্ধ করে একটি চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব।

তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের পথ বেছে নিলে ইরান আরও শক্তভাবে নিজেদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও সতর্ক করেন আরাগচি।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে তেহরান পুরো অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। একই সময়ে কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহের পথ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দেয় ইরান। পরে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে মার্কিন বাহিনী।

গত ১৮ জুন স্বাক্ষরিত একটি কাঠামোগত চুক্তির পর থেকে যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কৌশলগত জলপথে নৌ-চলাচল এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির পথ তৈরি করাই ওই উদ্যোগের লক্ষ্য।

এস