মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এমএস নাওয়ের প্রতিবেদনে কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোকে প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, অভিযানটি দীর্ঘস্থায়ী না হলেও এর তীব্রতা বেশি হতে পারে।
সম্ভাব্য হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো ওয়াশিংটনকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে। এক উপসাগরীয় কর্মকর্তা বলেছেন, কয়েকটি দেশ তাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালানোর বিরোধিতা করতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১ সেপ্টেম্বরের পর থেকে ইরানে আর কোনো হামলা চালায়নি যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে ইরানে নতুন করে হামলা চালানো হবে না।
সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এমএস নাওকে বলেন, সংবেদনশীল সামরিক পরিকল্পনা আছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসন মন্তব্য করে না।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব ধরনের বিকল্প বিবেচনায় রেখেছেন।
এদিকে, ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার খবর নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং জ্বালানি অবকাঠামো সম্ভাব্য পাল্টা হামলার ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
এস














