বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ গঠনের ব্যাপারেও একমত হয়েছে।
এসব এলাকায় লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী এককভাবে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করবে এবং কোনো অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি থাকবে না।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত হলো হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে সব ধরনের হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং সংগঠনটির সদস্যদের দক্ষিণ লেবানন থেকে সরিয়ে নেওয়া।
ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি লেবানন ও ইসরাইলের কূটনীতিকদের মধ্যে চতুর্থ দফার সরাসরি আলোচনা ছিল। গত ২ মার্চ ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের ওপর নতুন করে হামলা শুরু করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হয়ে ওঠে।
তথ্যসূত্র: দ্য ডন
এনএইচ