শুক্রবার (২২ এপ্রিল) দেশটিতে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। জাহাজটি ডুবে যাওয়ার সময় সাহায্য চেয়ে ‘ডিস্ট্রেস কল’ পাঠানোয় তাৎক্ষণিক উদ্ধার কাজ শুরু করা যায়নি।

উত্তাল সাগরে জাহাজটি ডুবে যাওয়ার পরে ৬ টি টহল জাহাজ এবং ৪ টি বিমান কয়েক ঘণ্টা অনুসন্ধান চালায়। তবে জাহাজটি থেকে ‘ডিস্ট্রেস কল’ পাঠানোর প্রায় ৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা হয়।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯ টন ওজনের জাহাজ কাজু-১ শনিবার সকালের দিকে একটি জরুরি ‘ডিস্ট্রেস কল’ পাঠিয়ে জানিয়েছিল, জাহাজের বো স্রোতের তোড়ে ভেসে গেছে। হোক্কাইডো দ্বীপের শিরেটোকো উপদ্বীপের পশ্চিম উপকূলে জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে যাচ্ছে।

স্থানীয় একটি মৎস্যজীবীদের সমিতির তথ্য মতে শুক্রবার দুপুরের দিকে ওই এলাকায় বেশ উঁচু ঢেউ এবং প্রবল বাতাস ছিল। খারাপ আবহাওয়ার কারণে মাছ ধরার নৌকাগুলোও বন্দরে ফিরে আসে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে প্রায় ৩ মিটার অর্থাৎ ৯ ফিট উঁচু ঢেউয়ের বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

জাপানি রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ওই জাহাজে থাকা ক্রুরা জানিয়েছিল যে—যাত্রীরা লাইফ জ্যাকেট পরা ছিল। জাহাজটিতে দুই শিশুসহ ২৪ যাত্রী ও দুজন ক্রু ছিলেন। এর পর থেকেই ওই জাহাজটির সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এইচএন