চীনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৪০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৩০ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার ভূমিকম্প-পরবর্তী দ্বিতীয় দিনে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। খবর রয়টার্স।
চীনেররাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানায়, মঙ্গলবার রাতেই ত্রাণ সামগ্রী—তাঁবু, খাদ্য, বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম দুর্গত এলাকায় পৌঁছে দেওয়া হয়। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত সব সড়কও পুনরায় চালু করা হয়েছে।
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, নেপাল ও উত্তর ভারতের ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোর মধ্যে তিব্বত অন্যতম। এখানে ভারতীয় এবং ইউরেশীয় টেকটনিক প্লেটগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রাচীন সমুদ্রতল থেকে গড়ে ওঠা চিংহাই-তিব্বত মালভূমি এখনও সক্রিয়।
চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্র জানিয়েছে, মঙ্গলবারের ভূমিকম্পের পর বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৫০০টির বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪.৪ মাত্রার পরাঘাত রেকর্ড করা হয়। গত পাঁচ বছরে ভূমিকম্পকেন্দ্রের ২০০ কিলোমিটারের মধ্যে ৩ বা তার বেশি মাত্রার ২৯টি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
এফএইচ





