অন্যদিকে, হামাসের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েল সীমান্ত দিয়ে ত্রাণসামগ্রী ঢুকতে না দেওয়ায়, এরই মধ্যে চরম ক্ষুধা গ্রাস করেছে ফিলিস্তিনবাসীকে। এমন পরিস্থিতিতে গাজার অন্তত সাড়ে তিন হাজার শিশু অপুষ্টিতে মারা যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সোমবার রাতে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে পৃথক হামলায় কমপক্ষে ১৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর আহতদের স্থানীয় ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (পিআরসিএস) পোস্ট করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, তাদের স্বেচ্ছাসেবকরা মধ্য গাজার জাবালিয়া ক্যাম্পের কাছে হামলার শিকারদের উদ্ধারে কাজ করছেন। সে সময় নিহত এক ব্যক্তির মরদেহ ঢেকে রাখতে ও গুরুতর আহত এক ব্যক্তির শরীর কাপড় দিয়ে ভালোভাবে জড়িয়ে রাখা হয়েছে।
এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলার ফলে মানবিক দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। গাজার সঙ্গে সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের পরিস্থিতিও অবনতির দিকে যাচ্ছে। এই অঞ্চলগুলোতে গত বছরের ৭ অক্টোবর এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৫০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।
এমএইচ





