বিবৃতিতে বলা হয়, জর্ডান কোনো আঞ্চলিক যুদ্ধের পক্ষ নয়। তাই দেশটির ভূখণ্ডকে বিদেশি সামরিক উপস্থিতি কিংবা আঞ্চলিক সংঘাতের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। স্বাক্ষরকারীরা মনে করেন, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে বিদেশি সেনা উপস্থিতি জর্ডানকে সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে।

তারা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০২১ সালে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তিটি দ্রুত পুনর্বিবেচনা করা সময়ের অনিবার্য দাবি। প্রয়োজনে চুক্তিটি বাতিল অথবা এমনভাবে সংশোধন করতে হবে, যাতে জর্ডানের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা ও জাতীয় স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত থাকে।

এ আহ্বান এমন সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে জর্ডানে বিদেশি সেনা মোতায়েন নিয়ে দেশটির অভ্যন্তরে জনমত আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে বলে মত দিয়েছে বিশ্লেষকরা।

তবে জর্ডান সরকার এর আগে জানিয়েছিল, দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম ও যৌথ নিরাপত্তা সহযোগিতার অংশ হিসেবে কাজ করছে এবং এ উপস্থিতি জর্ডানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখেই পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর, দ্য গার্ডিয়ান ও আনাদুলু এজেন্সি

এস