ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার এক ভাষণে সাইয়্যেদ আবদুল মালেক আল-হুথি ইরাকের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের আগ্রাসনের নিন্দা জানান এবং ইরাকের জনগণ, নিরাপত্তা বাহিনী, যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
আল-হুথি বলেন, শত্রুপক্ষ মুসলিম উম্মাহকে লক্ষ্যবস্তু করে ‘মধ্যপ্রাচ্য পুনর্গঠন’ এবং ‘বৃহত্তর ইসরাইল’ প্রতিষ্ঠার মতো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে ঐশী মূল্যবোধকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। শত্রুরা বর্তমানে মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে অতীতের তুলনায় আরো কঠোর সামরিক ও নরম উভয় ধরনের সংঘাতে লিপ্ত এবং বহু আরব সরকার ইসরাইলপন্থী নীতির দিকে ঝুঁকে পড়েছে।
আনসারুল্লাহ নেতা আরো বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান, লেবানন, ফিলিস্তিন এবং অঞ্চলের অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসী পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো, সেই সব শক্তিকে দুর্বল বা নির্মূল করা, যাদেরকে তারা তাদের পরিকল্পনার পথে বাধা বলে মনে করে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র একটি লোভী শত্রু, যা বিশ্বের অন্য প্রান্ত থেকে এ অঞ্চলে এসেছে দখল, হত্যা, লুটপাট, জনগণের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া এবং তাদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে।
আল-হুথি আরো দাবি করেন, সৌদি আরব সরকার ‘সর্বশক্তি দিয়ে’ ইসরাইলকে ইয়েমেন থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, ইয়েমেন রিয়াদকে জানিয়েছিল, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের উড্ডয়নপথ সৌদি আকাশসীমার বাইরে দিয়ে নির্ধারণ করা হবে। কিন্তু তারপরও সৌদি আরব সেগুলো প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে। তার দাবি, ইয়েমেনি ড্রোনগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে সৌদি আকাশসীমা এড়িয়ে চলেছিল, যাতে সৌদি আরব হামলার কোনো অজুহাত না পায়। তিনি আরো বলেন, সৌদি আরব ইসরাইলকে লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা ইয়েমেনের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
সূত্র: প্রেসটিভি
এমএম