হামলার পর শোধনাগার এলাকা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের হতাহত বা বিপজ্জনক রাসায়নিক ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নিশ্চিত হয়নি।

এর আগে ১৯ মার্চ একই স্থাপনাটি ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। তখনও মূলত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় ভূপাতিত ধ্বংসাবশেষ শোধনাগারে আঘাত হানে, যার ফলে ছোটখাটো আগুন ও সীমিত ক্ষতি হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। বিদ্যুৎ লাইনে আঘাত লাগায় কিছু এলাকায় সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দেয়, যা পরে দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, হাইফার এই শোধনাগারটি ইসরায়েলের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এ ধরনের হামলা শুধু নিরাপত্তা নয়, জ্বালানি অবকাঠামোর ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এস