কেজরিওয়ালের আবেদনের বিষয়ে তাকে গ্রেফতার করা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরট (ইডি) কোনো সাড়া দেয়নি। সুপ্রিমকোর্ট তদন্তকারী সংস্থাটিকে ২৭ এপ্রিলের মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনের জবাব দিতে বলেছে।

এর আগে দিল্লির হাইকোর্টে ইডির গ্রেফতারির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন কেজরিওয়াল। দিল্লি হাইকোর্ট ইডির সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছে। আদালত বলেছে, কেন্দ্রীয় এজেন্সি আইন মেনে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করেছে।

সুপ্রিমকোর্টেও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী স্বস্তি না পাওয়া ভোটের আগে তার জেলমুক্তি মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেছে। যদিও তিনি নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন করতে পারবেন। জামিন পাওয়ার আগে তাকে গ্রেফতার করতে পারে সিবিআই।

প্রসঙ্গত, দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত ২১ মার্চ ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। এরপর তাকে দিল্লির রাউজ এভিনিউ কোর্টে হাজির করা হলে, আদালত তাকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল। ওই সময় ইডির হাতে গ্রেফতারি ও নিম্ন আদালত থেকে হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। এরপর আদালতের নির্দেশে তাকে তিহার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে তার গ্রেফতারকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন কেজরিওয়াল। তবে ক্ষমতাসীন বিজেপি এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এনএইচ