সাগরে ভাসমান বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ইস্যুতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুক্রবার শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক এক সম্মেলন।
শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘের হাইকমিশন জানিয়েছে, সম্মেলনটিতে ওই অঞ্চলে অভিবাসী সংকট নিয়ে ১০ দফা প্রস্তাব দেবে আন্তর্জাতিক তিনটি সংস্থা।
এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে- আইএনএইচসিআর, ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ও জাতিসংঘের ড্রাগ অ্যান্ড ক্রাইম।
তারা এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারগুলোর সঙ্গে তাদের ১০ দফা শেয়ার করেছে। এক্ষেত্রে তারা ওই অঞ্চলে ভাসমান নৌ-যানে যেসব মানুষের জীবন বিপন্ন তাদের সহায়তার জন্য সুদৃঢ় পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
ইউএনএইচসিআর আশা করছে, আজকের সম্মেলনে যোগ দেয়া দেশগুলো মানবিক সংকট মোকাবিলায় যৌথ কর্মপন্থা নিয়ে একমত হবে। তারা এ সমস্যার মূল চিহ্নিত করতে পারবেন বলে আশা করা হয়।
এ মাসের শুরুর দিকে থাইল্যান্ডের গহিন জঙ্গলে অভিবাসীদের গণকবর আবিষ্কার হওয়ার পর এ ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। সাগরে আটকা পড়া বিপন্ন মানুষের কান্না পৌঁছে গেছে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে। তাই বিশ্ব সম্প্রদায় তাদের বাঁচানোর কর্মপন্থা নির্ধারণে আজ এ বৈঠকে বসেছে।
থাইল্যান্ড এই সম্মেলন আহ্বান করেছে। এতে যোগ দেবেন ১৭টি দেশের সরকারি পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ, ইউএনএইচসিআর, আইওএম ও জাতিসংঘের ড্রাগ অ্যান্ড ক্রাইম।
ওদিকে, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জন কি বলেছেন, পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় তার দেশ কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাকে নিতে পারে।
জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের পরিকল্পনার অধীনে প্রতি বছর তার দেশে ৭৫০ জন শরণার্থীকে নেয়ার কোটা আছে। তিনি বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় আমরা কিছু শরণার্থীকে নিতে পারি।
এআর





