গত রোববার গ্লুচেস্টারশায়ারে অবস্থিত বিমানঘাঁটির কাছে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের বয়স ২৩ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। সবাই লন্ডনের বাসিন্দা ও ব্রিটিশ নাগরিক। বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধ এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হলেও সোমবার তাদের পুলিশি জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, বিমানঘাঁটির দিকে তিনটি সন্দেহজনক যান যেতে দেখে নিরাপত্তা অভিযান শুরু হয়। পরে স্থানীয় এক কৃষক ওই যানগুলোর কাছে মুখোশ পরা একদল ব্যক্তিকে দেখতে পান। তল্লাশিতে কিছু পরিমাণ পেট্রল পাওয়া গেলেও কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।

সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের জ্যেষ্ঠ জাতীয় সমন্বয়কারী ভিকি ইভান্স বলেন, ঘটনার সঙ্গে বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততাসহ ‘সব সম্ভাব্য দিক’ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, গ্লুচেস্টারশায়ারের ঘটনার তদন্ত অত্যন্ত জটিল। একাধিক দিক থেকে তদন্ত চলছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বুধবার বলেন, ঘটনায় ইরানের ভূমিকার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি। ইরান এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন বিমানবাহিনী ও ন্যাটো বাহিনী ব্যবহার করে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে অভিযানের জন্য মার্কিন বোমারু বিমানও এই ঘাঁটি থেকে উড়েছে। ইরানে তথাকথিত প্রতিরক্ষামূলক হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটিটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য।

এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইরান সরকারের অনুরোধে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এস